ওয়েব ডেস্ক:- গত ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ তালিবানের হাতে চলে যাওয়ার পর দেশটির নাগরিকেরা দেশ ছাড়তে কাবুল বিমানবন্দরে জড়ো হন। তাঁদের উদ্ধারে আমেরিকা সহ বিভিন্ন দেশ যখন ফ্লাইট পরিচালনায় ব্যস্ত, তখন ওই বিমানবন্দর এলাকায় ভয়াবহ আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয়। এতে ১৩ জন মার্কিন সেনা সহ বহু লোক নিহত হন। আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের আফগানিস্তান শাখা আইএস-কে ওই হামলার দায় স্বীকার করে। ওই হামলার কয়েক দিন পর ড্রোন হামলাটি চালায় আমেরিকা । আফগানিস্তানে ২০ বছর যুদ্ধের সমাপ্তি টানার শেষ মুহূর্তে এটিই ছিল মার্কিন বাহিনীর শেষ হামলা।
আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীকে হত্যার উদ্দেশ্যে আমেরিকা যে ড্রোন হামলা চালিয়েছিল, তাতে ১০ জন এর নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে পেন্টাগন। কাবুল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আগের দিন ড্রোন হামলা চালানো হয়েছিল। মার্কিন সেনার সেন্ট্রাল কমান্ডের তদন্তে এই তথ্য উঠে এসেছে।
জানা গেছে, আমেরিকার সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের তদন্তে দেখা গেছে, ওই মার্কিন ড্রোন হামলায় একজন ত্রাণ সহায়তা কর্মী ও তাঁর পরিবারের নয় সদস্য প্রাণ হারান। এর মধ্যে সাত জনই শিশু ছিল। কাবুলে ড্রোন হানার ঘটনায় আম নাগরিকের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন। এই ঘটনাকে একটি 'ভয়ানক ভুল' বলে উল্লেখ করে কে দায়ী তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে নিহতদের পরিজনদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে পেন্টাগন।
