এদিনের কর্মীসভায় বারাবনির বিধায়ক তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি বিধান উপাধ্যায়। বলেন, যে যেভাবে তৃণমূলের কর্মীরা একসাথে দলের হয়ে কাজ করেছে। আর তার জেরেই এই জয় এসেছে। নিচু স্তরের কর্মীদের আসল জয়। আজ তাদের জন্যই আমার এই জায়গায়। তবে যারা এই দলে থেকে নিজের স্বার্থ রক্ষায় গদ্দারের কাজ করে গেছে তাদের দলে থাকার কোন অধিকার নেই। যদি কেউ তার ব্যক্তিগত স্বার্থে তৃণমূল কংগ্রেসে আসে তাহলে তার জন্য তৃণমূলে কোন জায়গা নেই।
অন্যদিকে কুলটির প্রাক্তন বিধায়ক তথা বর্তমান জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃতীয়বারের জন্য বাংলায় তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছে। তবে নিচু স্তরের কর্মীরাই দলের আসল কর্মী, তারাই দলের আসল সম্পদ। 'যারা দলে থেকে দলকে ছুরি মারে সেই সকল গদ্দারের চিহ্নিত করে দলের বাইরে ছুড়ে ফেলতে হবে।' বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে যে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা বিজেপিতে গিয়েছিলেন। তাদের ছাড়াই তৃণমূল বাংলায় ২০০ আসন সংখ্যা অতিক্রম করেছে। তাই তিনি এই ধরনের নেতাদের আবর্জনা বলে কটাক্ষ করে এদিন।
আরো পড়ুন:- বাবুলের তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় কোথাও পুড়লো বাজি তো কোথাও আবার পুড়লো তার ছবি
পাশাপাশি তিনি আরো বলেন, যে এখন তৃণমূলে সেই আবর্জনার প্রয়োজন নেই। তাদের আসল জায়গা ওই বিজেপিতেই। চিত্তরঞ্জন ব্লক যুব তৃণমূলের সভাপতি শ্যামল গোপ, ছাত্র যুব নেতা মিঠুন মণ্ডলের উদ্যোগে এই সমগ্র অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। এছাড়াও এদিনের কর্মী সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মোঃ আরমান, সালানপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ফাল্গুনী কর্মকার ঘাসি, সহ সভাপতি বিদ্যুৎ মিশ্র,চিত্তরঞ্জন ব্লক তৃণমূলের সভাপতি তাপস ব্যানার্জি,সালানপুর ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক ভোলা সিং ও এনএফআই আর নেতা ইন্দ্রজিৎ সিং,অর্ধেন্দু চক্রবর্তী,সমাজসেবী স্যনারায়ন মণ্ডল সহ একাধিক কর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
