নিজস্ব প্রতিনিধি:- দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে খুন হলেন পূর্ববর্ধমানের আউশগ্রামের দেবশালা পঞ্চায়েতের প্রধানের ছেলে চঞ্চল বক্সি(৪০)। গেঁড়াইয়ে আউশগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি শেখ লালনের বাড়িতে দলীয় কর্মসূচি শেষে দুপুরের খাওয়া সেরে বাবা শ্যামল বক্সিকে বাইকে চাপিয়ে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন চঞ্চলবাবু। সেসময় আউশগ্রামের গেঁড়াইয়ের জঙ্গলে ভাতকুণ্ডা রোডে তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা।
হাতে ও পিঠে গুলি লাগে চঞ্চল বক্সির। ৩টি গুলি লাগে চঞ্চল বক্সীর গায়ে।সঙ্গে সঙ্গে বাইক নিয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে বাবা ও ছেলে। ঘটনার খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছান দলীয় কর্মীরা। তারা উদ্ধার করে তড়িঘড়ি চিকিৎসার জন্য জামতাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মৃত চঞ্চলের বাবা শ্যামল বক্সি বলেন, রাস্তায় দুটি বাইক তাদের ওভারটেক করেই তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। দুটি বাইকে চার থেকে পাঁচজন ছিল।মোট পাঁচ রাউণ্ড গুলি চালায়।
তৃণমূল কংগ্রেসের ভাল্কী অঞ্চল সভাপতি অরূপ মিধ্যা আউশগ্রাম ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সৈয়দ হায়দার আলি দাবী করেন বিজেপি আশ্রিত দুস্কৃতিরা গুলি চালিয়েছে।কারণ দুয়ারে সরকার প্রকল্পে প্রচুর মানুষ ভীড় করছে। চঞ্চল এলাকায় খুবই জনপ্রিয় ছিল।সেই রাগেই তাকে খুন হতে হল।
আরো পড়ুন:- ভগবানকে তুষ্ট করতে নগ্ন হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে মেয়েরা,সোশ্যাল মিডিয়ায় নিন্দার ঝড়
যদিও খুনের ঘটনায় বিজেপির জড়িত থাকার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক শ্যামল রায়।তার পাল্টা দাবী তৃণমূল কংগ্রেসের দলের গোষ্ঠী কোন্দলে খুন হয়েছে চঞ্চল বকসি। পঞ্চায়েতের ক্ষমতা কার হাতে থাকবে তার কারণেই এই খুন।পানাগড়ের বাসিন্দা তথা বর্ধমান সদরের বিজেপির জেলা সহ সভাপতি রমন শর্মা বলেন ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়।বিজেপি এই ধরণের কাজ করে না। তৃণমূল নিজেরাই রক্তের খেলা শুরু করেছে এটা নিজেরাই করেছে।বিজেপির কোনো যোগ নেই এই ঘটনায়।ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।উদ্ধার হয়েছে একটি বন্দুক।

