বিশেষ করে এই সময় মানুষের শারীরিক মানসিক সমস্যা অনেক বেড়ে গিয়েছে। বাইরের ছোটাছুটি কাজ প্রায় নেই বললেই চলে। প্রায় সব কাজ ই অনলাইনে সেরে ফেলা হচ্ছে। ফলে বসে বসে শরীর, হাত পায়ে ব্যথা ধরে যাচ্ছে। আর এমনিও অনেকের ব্যথার সমস্যা থাকে। এ ব্যথা যন্ত্রণার হাত থেকে বাঁচতে অনেকেই ওষুধ খেয়েনিই । পেইনকিলার এড়িয়ে চলুন। পেইনকিলারে পার্শপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে। প্রাকৃতিক ভাবে যতটা সুস্থ থাকতে পারেন,সে চেষ্টা করুন। তাতে একটু সময় লাগতে পারে সেরে উঠতে বা পরিশ্রমও হতে পারে। তবুও সেটাই চেষ্টা করতে হবে। ওষুধ ছাড়াও ব্যথা থেকে উপশম সম্ভব। তার জন্য রয়েছে কিছু ঘরোয়া উপায়।যাতে নেই কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া।
১) আদা:- রোগমুক্তির জন্য আদা যে কত উপকারী তা বলে বোঝানোর নয়। খুব ভাল উপাদান। গলা ব্যথা হলে আদা খুব ভাল কাজ দেয়। এগুলো আমরা মোটামুটি জানি। এছাড়াও পেট ব্যথা , ঋতুস্রাবের সময় পেট মোচড় দিলে আদা ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।
২) কুমড়োর বীজ:- কুমড়ায় যেমন উপকার তেমনি কুমড়ার বীজেও। কোনটাই ফেলার নয়। এতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম থাকে। এটি মাইগ্রেনের ব্যথা পর্যন্ত কমাতে সাহায্য করে। শুধু এটাই নয়, আরো অনেক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয় কুমড়োর বীজ।
আরো পড়ুন:- অহেতুক দুশ্চিন্তা হওয়ার কারণ এবং এর থেকে মুক্তির উপায় !৩) হলুদ:-হলুদ তো মহা ওষুধ। হলুদের গুণাগুণ সম্পর্কে যতই বলা হোক,শেষ হবে না। ব্যথা সারাতে এক নম্বর ওষুধ হলুদ। হলুদ ব্যথা উপশম করে। কোথাও পুড়ে গেলে অথবা ক্ষতস্থানে হলুদ লাগালে খুবভালো উপকার পাওয়া যায়। হলুদ বাতের ব্যথাতেও ভাল কাজ দেয়।
৪) মরিচ:- যে কোনও রকমের ব্যথা নির্মূল করতে সাহায্য করে মরিচ।
৫) অলিভ অয়েল:- হাড়ের জয়েন্ট ভাল রাখতে অলিভ অয়েল খুবভালো কাজ দেয় ।
৬) চেরি:- আমরা হয়তো অনেকেই জানি না যে পেশির ব্যথায় সবচেয়ে উপকারী পদার্থ হল চেরি। এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এগুলোই ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
এই সবগুলোই ঘরোয়া জিনি। কোনটার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। শুধু ধৈর্য ধরে একটু ব্যবহার করে যেতে হবে। তাহলেই দেখবেন কতটা সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
