নিজস্ব প্রতিনিধি:-পাগল হনুমানের কামড়ে জখম হয় ১০ জন গ্রামবাসী। অবশেষে ঘুমপাড়ানি গুলি ছুড়ে হনুমানটিকে ধরল বনকর্মীরা। পূর্ব বর্ধমানের (East Burdwan) ভাতারের বেলডাঙ্গা গ্রামে কয়েকদিন ধরেই হনুমানের তাণ্ডবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন গ্রামবাসীরা। ইতিমধ্যেই মহিলাসহ এলাকার জনা দশেক বাসিন্দা হনুমানের আক্রমণে আহত হয়েছেন।
মাস দুয়েক আগে গ্রামের একটি বাগানে প্রায় কুড়ি জনের একটি হনুমানের দল হানা দেয় । মাঝেমধ্যেই গ্রামের মধ্যে ঢুকো গাছের ফল মূল নিয়ে চলে যেতে। সপ্তাহখানেক ধরে হনুমানের তাণ্ডবে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন গ্রামবাসীরা। বুধবার সকালে বেলডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা নয়ন মাঝি তার বাড়ির সামনে রাস্তায় পাশে দাঁড়িয়ে থাকার সময় আচমকা একটি হনুমান তার ডান হাতের দুটি আঙুলে কামড় দেয়। বেশ কয়েকটি শিরা কেটে যাওয়ায় প্রচণ্ড রক্তপাত শুরু হয়।
স্থানীয়রা প্রথমে ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ও পরবর্তীতে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেখান থেকে কলকাতার পিজি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় ওই যুবককে। গত কয়েকদিনে দশ জন গ্রামবাসী হনুমানের কামড়ে আহত হন। এরপরই খবর দেওয়া হয় বর্ধমান বনদপ্তরে।
বনদপ্তরের কর্মীরা সকাল থেকেই ওই পাগলা হনুমানটিকে ধরার চেষ্টা করে। কিন্তু ওই হনুমানের তাড়া খেয়ে বনকর্মীরা প্রথমে ফিরে যায়। অবশেষে ঘুমপাড়ানি গুলি ছুড়ে হনুমানটিকে খাঁচায় বন্দী করে বনদপ্তর এর কর্মীরা। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন গ্রামবাসীরা।
আরো পড়ুন:- অন্ডালের পেট্রোল পাম্পে দুঃসাহসিক ডাকাতি,আহত পাম্পের দুই কর্মী
বনদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া হনুমানটিকে চিকিৎসা ব্যবস্থার পাশাপাশি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। সুস্থ হওয়ার পর ডাক্তারি পরামর্শে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
