নিক্কির এই টুইটের পর পরেই একাধিক রিপাবলিকান পার্টির কংগ্রেস ম্যান ও সেনেটর টুইট করে বাইডেনের পদত্যাগ অথবা ইমপিচমেন্ট দাবি করতে থাকেন। বাইডেনের সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা কমলা হ্যারিস ও বিদেশসচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনেরও পদত্যাগ দাবি করেন। রিপাবলিকান সাংসদরা বলতে থাকেন, যদি একটা ফোনের জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) ইমপিচ করা হয়ে থাকে, তাহলে কেন বাইডেনের ইমপিচমেন্ট হবে না।
আফগানিস্তান (Afghanistan) থেকে যেভাবে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে, তা বাইডেনের চরম গাফিলতি বলে রিপাবলিকান দলের নেতারা জানাতে থাকেন। রিপাবলিকান কংগ্রেস ম্যানরা অবিলম্বে মার্কিন কংগ্রেসের অধিবেশন দাবি করলেও স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি তা উড়িয়ে দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার কাবুলের বিস্ফোরণে ১৩ মার্কিন সেনার মৃত্যু বাইডেনকে চরম অস্বস্তিতে ফেলেছে। আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গোটা বিশ্বের সঙ্গে মার্কিন জনতার একটি বড় অংশ বাইডেনের উপর ক্ষুব্ধ। কাবুলের বিস্ফোরণ সেই ক্ষোভকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
