![]() |
| File Picture |
সূত্রের খবর, সোমবার ভোরে জম্মু কাশ্মীরের পুঞ্চ সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর টহল দিচ্ছিলেন সেনাকর্মীরা। ঠিক সেই সময়ে সীমান্তের ওপার থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করছিল কয়েকজন জঙ্গি। তাদের দেখে ফেলতেই সেনাকর্মীদের দিকে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়তে শুরু করে জঙ্গিরা।
পাল্টা জবাব দেন সেনাকর্মীরাও। সেনার গুলিতে নিহত হয়েছে সশস্ত্র এক জঙ্গি। এই ঘটনা প্রসঙ্গে প্রতিরক্ষামন্ত্রকের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবেন্দ্র আনন্দ জানিয়েছেন, নজরদারি চালানোর সময় বেশ কয়েকজন জঙ্গির হদিশ মেলে সীমান্তের ওই এলাকায়। নিরাপত্তাবাহিনী কাছে যেতেই গুলি ছুঁড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। তাদের যোগ্য জবাব দেয় ভারতীয় সেনা। বেশ কিছুক্ষণ জঙ্গি-সেনা গুলির লড়াই চলে। শেষমেশ এক জঙ্গির মৃত্যু হয়।
উল্লেখ্য, আফগানিস্তান তালিবান দখলে যাওয়ার পর থেকে জম্মু কাশ্মীরের সব সীমান্তে নিরাপত্তা আরও জোরদার করেছে ভারতীয় সেনা। রোজ চিরুনি তল্লাশি চলছে সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলিতে। এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন সেনাকর্মীরা। সন্দেহভাজন কোনও বেক্তিকে দেখলেই চলছে জিজ্ঞাসাবাদ।
বিশেষত ভারত-পাক সীমান্তের নজরদারি কয়েকগুণ বাড়ানো হয়েছে। তালিবানের মদতে উপত্যকায় নাশকতার ছক কষতে পারে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনগুলি। আফগানিস্তানের মুক্তাঞ্চল এখন পাক জঙ্গিদের বধ্যভূমিতে পরিণত হয়েছে। লস্কর-এ-তইবা, জইশ-এ-মহম্মদের মতো জঙ্গি সংগঠনগুলি আরও বেশি সক্রিয় হচ্ছে আফগানিস্তানের মাটিতে। তালিবানের সাহায্য নিয়েই পাক জঙ্গিরা ভারতে নাশকতা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা সেনাবাহিনীর। সেই আশঙ্কা থেকেই সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা বাড়িয়েছে ভারত।
