শুভময় পাত্র,বীরভূম:- বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় বেশ কিছুদিন ধরেই সংবাদ শিরোনামে। কারণ দফায় দফায় আন্দোলন ছাত্র-ছাত্রী ও অধ্যাপকদের। ৩ বহিস্কৃত ছাত্র-ছাত্রী ও একজন সাসপেন্ড হওয়া অধ্যাপকের আন্দোলনকে ঘিরে রীতিমতো তোলপাড় করে দিয়েছে বিশ্বভারতীর চিরাচরিত ঐতিহ্যকে। শুধুমাত্র বোলপুর শান্তিনিকেতনে নয় কলকাতা থেকেও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন এই আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন।
শুধু তাই নয় শেষমেষ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়াতেও এখনো পর্যন্ত কোনরকম সুফল পায়নি ছাত্র-ছাত্রীরা। হাইকোর্টের আদেশ কে একরকম অমান্য করে বিশ্বভারতীর উপাচার্য অধ্যাপক বিদ্যুৎ চক্রবর্তী সেই একই জায়গাতে দাঁড়িয়ে আছেন।
আরো পড়ুন:- টাটা সুমো ও বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে জখম হল ২ বাইক আরোহী
বিশ্বভারতী উপাচার্যের এই ধরনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ও বহিষ্কৃত পড়ুয়াদের পঠন-পাঠনে পুনরায় ফেরানোর দাবিতে এবার পথে নামলেন বিশ্বভারতীর প্রায় ৫০ জন অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা। এদিন তারা হাতে পোস্টার নিয়ে শান্তিনিকেতন রাস্তায় মৌন মিছিল করে উপাচার্যের বিরুদ্ধে সকলে মিলে আন্দোলনে সামিল হন।
মিছিলে সামিল একজন অধ্যাপক বলেন ১৩ দিন ধরে ছাত্র ,শিক্ষক ,এলাকার আপামর সাধারণ মানুষ যারা পৌষ মেলা বা অন্যান্য ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত তারা আন্দোলন চালান,কিন্তু তিনি তাদের সঙ্গে কোনোরকম আলোচনা না করে আদালতে চলে যান । আদালতে ধাক্কা খেলেও আজঅব্দি ছাত্ররা কোনো চিঠি পায়নি যে তাদের আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরানো হয়েছে বলে ।ওনার যে সিকিউরিটি বার্থতা সেটা উনি একজন রাজনৈতিক ব্যাক্তির উপর চাপিয়ে দিয়েছেন।এবং বলেন শিক্ষকদের সিকিউরিটির দায়িত্ব নিতে হবে।অথচ আমরা জানি চিফ সিকিউরিটি অফিসার জয়েন করে তিন দিনের মধ্যে চলে গেছেন, কেন চলে গেলেন তার কারণ আমরা জানি না। এই নিয়ে কর্তৃপক্ষের একটি বিবৃতি দেওয়া দরকার।
অন্য একজন সিকিউরিটি অফিসার আছেন তাকে কলকাতার কলেজ স্ট্রিট-এ বই-এর দোকানে বসিয়ে রাখা হয়েছে। তাকে দিয়ে সেখানে বই বিক্রি করানো হচ্ছে। শুধু তাই নয় সমস্ত শিক্ষকদের চোর বলে অপমান করবেন। এ সব মানে নেওয়া যায় না। উনি তদন্ত পক্রিয়া কে বুড়োআঙ্গুল দেখিয়ে সিলেকশন কমিটি কে অগ্রাহ্য করে তিনি একজন অধ্যাপক কে অনৈতিক ভাবে নিযুক্ত করেছেন। আমরা চাই নিরপেক্ষ সংস্থা কে দিয়ে এর তদন্ত হওয়া দরকার।
