জব কার্ড নিতে গেলে ঘুষ দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন আন্দোলনকারীরা। পাশাপাশি তারা বিভিন্ন সরকারী পরিসেবা ঠিকভাবে পাচ্ছেন না। তিনি সময়মত অফিসে আসেন না বলে অভিযোগ করেন বিক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা। ঘটনা ঘিরে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে এলাকায়। দীর্ঘক্ষণ আটক রাখার পর গলসি ২ নম্বর ব্লকের বিডিও প্রতিনিধি গিয়ে বিষয়টি মিটমাট করতে তাদের সাথে একপ্রস্থ আলোচনা করেন।
তবে পঞ্চায়েত প্রধান আরফা বেগম মন্ডল বলেন, তাকে মিথ্যাভাবে দোষারোপ করা হচ্ছে। মানুষের অভিযোগের তদন্ত করা হোক। তিনি কেন যদি কেউ দুর্নীতিতে যুক্ত থাকে তার বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অন্য দিকে স্থানীয় বিজেপি নেতা রাজু পাত্র বলেন 'পঞ্চায়েত প্রধান 'কাটমানির' সাথে যুক্ত আছেন' তাই গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে তাকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন।
পাশাপাশি, তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান , যদি কেউ কাজের বিনিময়ে টাকা নিয়ে থাকেন সেটা কোনো ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। দল এটা সমর্থন করে না। যদি এরকম কেউ করে থাকে, তা হলে দল তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। দুর্নীতি করে কেউ তৃণমূলে থাকতে পারবে না।