ওয়েব ডেস্ক :- তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও ব্রায়েনের উপস্থিতিতে শনিবার বিজেপি ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিলেন বাবুল সুপ্রিয়। তৃণমূলে যোগ দিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় বলেন বাংলার হয়ে কাজ করার জন্য সামনে ‘বড় সুযোগ’ এসেছে। তাই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। সঙ্গে তিনি বলেন, ‘মমতাদিদি ও অভিষেক যে দায়িত্ব আমায় দেবেন , আমি তা পালন করব।’
তিনি আরো জানান আমি খুব স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, আমি রাজনীতি ছাড়ার কথা বলেছিলাম। তা মন থেকে বলেছিলাম। আমার মনে হয়েছিল সাত বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের জন্য় কাজ করার চেষ্টা করেছি। তাতে বিরাম চিহ্ন পড়ে গিয়েছিল। তার পিছনে যুক্তি খুঁজে পাইনি।যা ঘটেছে ৪ দিনের মধ্যে। তার পর দিদি ও অভিষেক আমায় বিশ্বাস করেছেন এবং সুযোগ দিয়েছেন। বাংলার জন্য কাজ করার সুযোগ পাচ্ছি। আমি খুব উৎসাহী।
Today, in the presence of National General Secretary @abhishekaitc and RS MP @derekobrienmp, former Union Minister and sitting MP @SuPriyoBabul joined the Trinamool family.
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) September 18, 2021
We take this opportunity to extend a very warm welcome to him! pic.twitter.com/6OEeEz5OGj
আসানসোলের সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেবার কথাও জানান। তিনি বলেন আমি যখন তৃণমূলে যোগ দিয়েছি। বিজেপির আসন ধরে রাখার প্রশ্নই নেই। নীতি ও বিধি মেনে চলব। সোমবার দিদির সঙ্গে দেখা করছি। আমি মন থেকে রাজনীতি ছেড়েছিলাম। আর মন থেকে বাংলায় কাজের সুযোগ গ্রহণ করলাম।
প্রসঙ্গত ,বাবুলের সঙ্গে বিজেপির দূরত্ব তৈরি হয়েছিল অনেকদিন আগেই। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তা স্পষ্ট হয়ে উঠছিল। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল করলে মন্ত্রিত্ব খোয়াতে হয়েছিল বাবুলকে। তারপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। যা দলের অনেকেরই পছন্দ হয়নি। একাধিকবার বেসুরো লাগছিল তাঁকে।
তারপরই অগাস্ট মাসেই রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন আসানসোলের সাংসদ। এমনকী, সাংসদ পদও ছেড়ে দেবেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, সেই সময় জেপি নাড্ডা ও অমিত শাহের অনুরোধে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেননি। তবে ইস্তফা না দিলেও সাংসদ হিসেবে আর কোনও সুববিধা নেবেন না বলে ঘোষণা করেছিলেন।
