নিজস্ব প্রতিনিধি:- 'খেয়ে দাদাবাবু খুশি হন, দিদিমনি বশে রন, মুখে দিয়ে ফুচকা, হেসেহেসে কথা হন ' সেই শক্তি ঠাকুরের গানটা মনে পড়ে? যাতে রয়েছে ফুচকার মহিমা বর্ণনা।ফুচকার প্রেমে পড়েননি এবং প্রেমে পড়ে ফুচকা খাননি এমন বাঙালি বিরল। সেই সাবেক আলু ছোলা মরিচার ফুচকার এখন ফিউশন রূপ মিলছে বর্ধমান শহরের উপকন্ঠে কাঞ্চননগরে। এই পলাশ পালের আইডিয়াপ্রসূত ফিউশন-ফুচকা হৈচৈ বাঁধিয়েছে ফুচকাপ্রেমীদের মধ্যে।
ফুচকার ৩৭ রকমের অভিনব আইটেমে বানিয়ে খাদ্যরসিকদের মন ভরাচ্ছেন কাঞ্চননগরের বাসিন্দা পলাশ পাল। বিভিন্ন রকমের ফুচকার স্বাদ নিতে এখানে হাজির হন পুরুষ, মহিলা সব ধরনের ক্রেতারাই।
জল ফুচকা, দই ফুচকা, চিকেন ফুচকা, পনীর ফুচকা, চিজ ফুচকা, চকোলেট ফুচকা, বাহুবলী ফুচকা, ভর্তা ফুচকা, আইসক্রীম ফুচকা, ড্রাই ফ্রুট ফুচকা, ফায়ার ফুচকা, জেলী ফুচকা, কাঁচা আম ফুচকা, রাবড়ি ফুচকা সহ প্রায় ৩৭ টি ইউনিক ফুচকার আইটেমের মেনু রয়েছে ফুচকার স্টলটিতে।
খাদ্যরসিকদের বদলানো রুচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে গিয়ে প্রায় ৩৭ রকম স্বাদের ফুচকা বানিয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন বর্ধমানের কাঞ্চননগরের বকুলতলার বাসিন্দা পলাশ পাল।
ফুচকা নিয়ে একের পর এক পরীক্ষা চালান তিনি। অন্যান্য জনপ্রিয় স্ট্রীট ফুডগুলির সঙ্গে ফুচকার একটা আনুপাতিক সংমিশ্রণ ঘটিয়ে তৈরী করেছেন বিভিন্ন ধরনের ও নানান স্বাদের ফুচকা। পলাশ বাবু জানান, ক্রেতারা এখন ট্রাডিশনাল ছাড়াও অন্য স্বাদের আইটেম খোঁজেন, তাদের পরিবর্তিত রুচির জন্যেই ফুচকা নিয়ে তার এত পরীক্ষা নিরিক্ষা। আর এতে সাড়াও মিলেছে। আর ক্রেতারা জানাচ্ছেন; এতে স্বাদবদল ঘটছে। এই টু ইন ওয়ান ফুচকার অভিনবত্বে মজেছেন তারা।
আরো পড়ুন:- মশলার দোকানে ভয়াবহ আগুন পূর্ব বর্ধমানের মেমারিতে,দমকলের দুটি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে
বর্ধমানেরআউদয়পল্লীর বাসিন্দা তরুণী মৌসুমী পাল বলেন,এখানে হাজারো আইটেম।তেমনী খেতেও ভালো।বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামলেই ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে।একেবার রাত পর্যন্ত বিকিকিনি হয়। সোমা দাস বলেন,তার বাড়ি গোলাপবাগে।তিনি সময় সুয়োগ পেলেই কাঞ্চনগরের এই ফুটকার স্টলে চলে আসেন।